আজ শুক্রবার | ১০ আশ্বিন ১৪২৭ | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৭ সফর ১৪৪২ | রাত ৮:৩২
গোপালগঞ্জ, গোবড়া সবান রোড, ঢাকা, বাংলাদেশ
শুক্রবার || রাত ৮:৩২ || ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

মেঘনা নদীর তীরে মানুষের জীবন ও জীবিকা

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২০ | ৭:৫৯ পূর্বাহ্ণ

মেঘনা নদীর তীরে মানুষের জীবন ও জীবিকা

গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা রিভার সিস্টেমের বিপুল পরিমাণ পানি বহনের কারণে আমাজন এবং কঙ্গো নদীর পরে মেঘনা হচ্ছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম নদী। বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রশস্ত নদীও এই মেঘনা, গভীরতাও এর সবচেয়ে বেশি। ঢাকা থেকে মাত্র ২৯ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে, পূর্ব বাংলার প্রাচীন রাজধানী সোনারগাঁওয়ে সাথে সখ্য গড়েছে এই মেঘনা

মেঘনা নদীতে যেভাবে ধরা হয় মাছ নামের সোনালী শস্যঃ

আমরা তো বাজারে গিয়ে মাছ কিনি খালাস। কিন্তু মাছ ধরার আকর্ষণীয় আয়োজন টা দেখার সুযোগ হয়ে ওঠে না ।
অন্যদিকে মেঘনায় আসলে দেখা যাবে , মাছ ধরার মন জুড়ানো মুহূর্তগুলো।জেনে নামের জল চাষিরা মেঘনা নদীর বুক থেকে প্রতিনিয়ত ছেঁকে তুলে মাছ নামের সোনালী শস্য।

নিত্যদিনের লেনাদেনা এ নদীর সাথে অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় থেকে আহরণ করা প্রায় সোয়া ১১ ভাগের যোগান দেয় এ নদীর জেলেরা। এ নদীর প্রজাতির প্রায় ৬০ প্রজাতির মাছের মধ্যে সবচেয়ে সেরা মাছের রাজা ইলিশ।
জ্যান্ত ইলিশ দেখতে হলে নদীতে আসা ছাড়া উপায় নেই। কারণ ইলিশ মাছকে ডাঙ্গায় তোলার পর পরই মারা যায়।

  • তারপরে এ সমস্ত ইলিশ মাছকে বাণিজ্যিক উপায়ে সংরক্ষণ করে দেশ ও বিদেশের চাহিদাপূর্ণ এলাকায় পাঠানো হয়।মেঘনা নদীর ছোট মাছের মাঝে বাটা, বাঁশপাতা, চাপিলা, মলা,পুটি, টেংরা, চেওয়া,তাপসী এবং চিংড়িই বেশি।
  • অনন্য এ নদী দেশের মৎস্য সম্পদের প্রধান যোগানদার। মেঘনায় জেলেদের সম্পর্ক তাই হৃদয়স্পর্শী।

 নদীর ছোপঃ

মেঘনায় যে সব জায়গায় স্রোতের ডামাডোল নেই জেলেরা সেখানে কচুরিপানা আর লতাপাতা আটকে তৈরি করে ছোপ। মাছদের মধ্যে যেসব মাছ কাদায় থাকতে পছন্দ করে সেসব মাছ বাসা বাধে এই ছোপে।
উজান থেকে মেঘনা বছরে বইয়ে আনে প্রায় ১১ শত মিলিয়ন টন পলি। সে পলি জমে জমে জন্ম অগন্তি চড়ের।

 নদীর চড়ঃ

চড়ের চালচিত্র আমাদের চেনা লোকালয় থেকে আলাদা।
বিচ্ছিন্ন জনপদ হলে কি হবে, বৈচিত্রের কোন কমতি নেই এই চরে।
মেঘনার পলির কারণে চরের জমিগুলোর উর্বরতা অনেক বেশি ।

আর এইজন্যই ফসলের বাড়বাড়ন্ত চেনা রূপের চেয় ভিন্ন।
চরের জমিতে বালুর পরিমাণ বেশি হওয়ার ফলে এসব জমিতে তরমুজ, আলু ,বাঙ্গি এসব ফসল বেশি ফলন চাষীরা।
বর্ষার বাড়তি পানি নেমে গেলে শুকনো মৌসুমে চরের বিস্তীর্ণ এলাকা হয়ে ওঠে অবারিত চারণভূমি।
সবুজ ঘাসের প্রাচুর্যে ভরা চারণভূমিতে ভরে যায় একাধিক গরুর পদচালনায়।

এ নদীর জীবন ও জীবিকাঃ

নদীমাতৃক এ দেশের মানুষের মন মানসিকতা আর জীবন যাপন দারুণভাবে নদীপ্রভাবিত ।
নদীর জীবনেই যেন বাংলাদেশের জীবন। সেই জীবনধারার কতনা রুপ চোখে পড়ে মেঘনার রূপ আর দুই কুল জুড়ে।

মেঘনা নদীর উৎপত্তি হিমালয় পাহাড়ে থেকে। ভারতে বইছে বরাক নামে।

এরপর বাংলাদেশের  সিলেটে  ঢুকে  ভাগ হয়েছে সুরমা ও কুশিয়ারায়।
আজমিরীগঞ্জের উত্তরে এ দুই নদী শাখা প্রশাখা সহ আবার মিলিত হয়ে জন্ম দিয়েছে মেঘনার।

 

Gopalganj, Gobra Saban Road, Dhaka Bangladesh
Acting Editor: Masum Akter Tanim, Newsroom And Management Mobile: +8801763-234376 || Communication With The Editorial Council: 01780-242169
Email: press24.info2020@gmail.com, press24.bangladesh2020@gmail.com, Copyright © 2019-2020, development by webnewsdesign.com