আজ বুধবার | ১৫ আশ্বিন ১৪২৭ | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ১২ সফর ১৪৪২ | দুপুর ১২:৫১
গোপালগঞ্জ, গোবড়া সবান রোড, ঢাকা, বাংলাদেশ
বুধবার || দুপুর ১২:৫১ || ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

ঠিক যেভাবে হত্যা করা হয়েছিল বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে

শেয়ার করুন

সুজন শর্মা

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০ | ৫:২৬ পূর্বাহ্ণ

ঠিক যেভাবে হত্যা করা হয়েছিল বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে
ফাইল ছবি

শোকাবহ ১৫ই আগস্ট আজ।
পচাত্তোরের এই দিনে নির্মমভাবে সপরিবারে হত্যা করা হয় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।
বাংলাদেশের স্থপতি স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু কে হত্যার মধ্য দিয়ে ঘাতকরা চেয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মুছে ফেলতে।

দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল ষড়যন্ত্র, চূড়ান্ত আঘাতের দিনক্ষণও আগে ঠিক করা।
১৫ ই আগস্ট ভোরে হবে বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের বিজয়ী মহানায়ক বঙ্গবন্ধু কে হত্যার ক্ষন।
প্রস্তুতি দৃশ্যমান হতে শুরু করে ৭৫ এর ১৪ ই আগস্ট বিকেল থেকে।

রাত আনুমানিক দশটা:
বেঙ্গল ল্যান্সারের টিফিপটিফোর ট্যাংক গুলো বেরিয়ে পড়ে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে। তেজগাঁও বিমানবন্দর এর কাছে জড়ো হয় খুনিরা।

পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন খুনি মেজর ফারুক। মুল টারগেট,
বঙ্গবন্ধুর বাড়ি আক্রমণের নেতৃত্বে খুনি মেজর মহিউদ্দিন।

ভোর ৫ টা ১০ মিনিট :

ঘাতকদল পৌঁছে যায় ধানমন্ডি শেখ ফজলুল হক মনির বাসায়,
ইস্টেংগান আর ব্রাশফায়ার মুহূর্তে কেড়ে নেয় ফজলুল হক মনি ও তার স্ত্রীর প্রাণ।

ভোর ৫ টা ১৫ মিনিট :

ধানমন্ডির আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায় খুনিরা একে একে খুন করে ১৩ জনকে।

ভোর ৫ টা ৩০ মিনিট :

শেখ ফজলুল হক মনি ও আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের বাড়িতে হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে ঘাতকদের দল তখন
ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বঙ্গবন্ধুর ৬৭৭ নম্বর বাড়ির গেটে।
প্রথমেই তারা হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে শেখ কামালকে।

ভোর ৫ টা ৫০ মিনিট :

গুলির শব্দে দোতলার দরজা খুলে নিচে নেমে আসার সময় খুনিদের ধমকাতে থাকেন বঙ্গবন্ধু।
সিঁড়ির মাঝা মাঝি এসে দাঁড়াতেই ঘাতকদের গুলি। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি পড়ে থাকেন সিঁড়িতে নিথর।

তখনও শেষ হয়নি হত্যাকাণ্ড, খুনীরা একে একে বঙ্গবন্ধুর স্ত্রীর ফজিলাতুন্নেছা মুজিব,
ছেলে শেখ জামাল, দুই পুত্রবধূ রোজী জামাল, সুলতানা কামাল কে হত্যা করে।
রেহাই দেয়নি ছোট্ট শিশু শেখ রাসেলকেও।

ইতিহাসের এমন করুন মৃত্যুতে সেদিন কাটতে পারেনি বাঙালি। তবে চাপা কষ্টে সেদিন কেঁদেছিল প্রকৃতি।
ঘাতকের বুলেট সেদিন জাতির পিতার প্রাণ কেড়ে নিলেও মুছে দিতে পারিনি সেই অবিনাশী নাম ।

ইতিহাস বলে বীরের মৃত্যু নেই।
যদিও যুগে যুগে অনেক বীরকেই হত্যার শিকার হতে হয়েছে ষড়যন্ত্রকারীদের হাতে। পার্থক্য হচ্ছে ষড়যন্ত্রকারীরা ইতিহাসে কাপুরুষ হিসেবে চিহ্নিত, আর বীরেরা বেঁচে থাকেন মহাকালের মহানায়কের রুপে।

Gopalganj, Gobra Saban Road, Dhaka Bangladesh
Acting Editor: Masum Akter Tanim, Newsroom And Management Mobile: +8801763-234376 || Communication With The Editorial Council: 01780-242169
Email: press24.info2020@gmail.com, press24.bangladesh2020@gmail.com, Copyright © 2019-2020, development by webnewsdesign.com